“আজ জনগণের সামনে একদিকে ডাঙ্গার বাঘ অন্যদিকে জলের কুমির/আকাশে উড়ছে শকুন” এ থেকে পরিত্রাণে চাই বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প শক্তির উত্থান-খালেকুজ্জামান

বাসদ-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রুশ বিপ্লব বার্ষকী উপলক্ষে সমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত

Rally-1বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং মহান রুশ সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ৯৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১৩ নভেম্বর ২০১৫ শুক্রবার বেলা ৪টায় বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান। বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড জাহেদুল হক মিলু, কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন ও ঢাকা মহানগর শাখার সদস্য সচিব জুলফিকার আলী। সমাবেশ শেষে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও লাল পতাকা সোভিত দুই শহ¯্রাধিক মানুষের এক সুসজ্জিত মিছিল প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে হাইকোট মোড়, তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, দৈনিক বাংলা, বায়তুল মোকাররম, গুলিস্তান, গোলাপশাহ মাজার, নূরহোসেন স্কোয়ার হয়ে পুনরায় প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।
Khalequzzamanসমাবেশে কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, “আজ জনগণের সামনে একদিকে ডাঙ্গার বাঘ অন্যদিকে জলের কুমির/আকাশে উড়ছে শকুন।” ক্ষমতার মালিক জনগণকে দর্শকের সারিতে বসিয়ে চলছে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সন্ত্রাস সহিংসতা, আবার কখনও কখনও পাতা হচ্ছে চক্রান্ত ষড়যন্ত্রের ফাঁদ। ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে জনগণকে যত দূরে ঠেলে দেয়া হচ্ছে, ততই দেশি-বিদেশি লুটেরা গোষ্ঠীর অপতৎপরতা জমজমাট হয়ে উঠছে। ক্ষমতায় থাকা ও ক্ষমতায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে একজনের অস্তিত্বকে আরেকজনের ধ্বংস সাধনের শর্ত করা হয়েছে। হত্যা-খুন, সন্ত্রাসসহ যে কোন অপরাধের সাথে সাথে একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলছে আর তাতে প্রকৃত অপরাধীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পার পেয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দূরে ঠেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবর রচনা করে ধর্মকে রাজনীতির গুটি বানানো হয়েছে। এদের বাদানুবাদে জাতীয় ও জনজীবনের সমস্ত সমস্যা চাপা পড়ে যাচ্ছে। দলীয়করণের ছাপ না থাকলে আর জনগণ সোচ্চার হলে প্রতিকার কত সহজ হয় তা আমরা দেখেছি রাজন ও রাকিব হত্যার দ্রুত বিচারে। তিনি বলেন, আজ সা¤্রাজ্যবাদী শক্তি আবার দুনিয়াকে ছোট-খাট যুদ্ধ, দখল, লুণ্ঠনে অতিষ্ট ও অশান্ত করে তুলেছে। ইতিহাস সাখ্য দেয় সমাজতন্ত্র ছাড়া শোষণ-লুণ্ঠন বন্ধ হবে না। আর শোষণ বৈষম্য থাকলে শান্তি-সম্প্রীতি আসবে না। তাই রাশিয়ার মহান নভেম্বর বিপ্লবের চেতনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকারে শপথে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে আমরা আমাদের দল-বাসদকে ১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর গড়ে তুলেছিলাম।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর আমরা কোথায় আছি, কেমন আছি, তা বুঝাতে বেশিদূর যাওয়ার প্রয়োজন নেই। মঞ্চের পাশে ১৮/১৯ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান-অনশনরত শিক্ষক সমাজের দিকে তাকালে তা বুঝা কঠিন নয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আজ চৈতন্যহারা হয়ে শাসকদের দরবারে গড়াগড়ি খাচ্ছে। গণতন্ত্রকে লুটপাটতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র আর পরিবারতন্ত্রের চেহারায় দাঁড় করানো হয়েছে। আইনের শাসনকে হয় কালো আইনের শাসনে অথবা মর্জি মাফিক আইনী বিধানে পরিণত করা হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নামে, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগকে দ্বৈত শাসনে দাঁড় করানো হয়েছে। শাসক দলের ছায়া না থাকলে বিচার ত্বরান্বিত হয় আর তার ছায়া দেখলে বিচার স্থবির হয়ে যায়। বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে।
Part of gatheringসংবিধানের মূলনীতিতে সমাজতন্ত্র লিখে রেখে সমাজতন্ত্রের টাইটল ঝুলিয়ে দেশকে পুঁজিবাদী লুটপাটের মৃগয়া ক্ষেত্রে পরিণত করা হয়েছে। মুক্তবাজারের নামে গোটা বাজার ব্যবস্থাকে দেশি-বিদেশি লুটেরাদের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছে। যে কারণে আমদানী খরচের ৪৭ টাকার তেল ১০০ / ১১০ টাকায় বিক্রি হয়। কৃষকের ২/৩ টাকার সবজি ঢাকার বাজারে ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হয়। ভারতে ১ কি.মি. রাস্তায় খরচ ১০ কোটি টাকা হলেও বাংলাদেশে ৫৯ কোটি টাকা খরচ হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংঙ্কের টাকা লুটেপুটে ব্যক্তিমালিকানার ব্যাঙ্ক গড়ে ওঠে। সোনালী ব্যাংঙ্কের লুট হওয়া ৪৫০০ কোটি টাকা মন্ত্রীর কাছে কোন টাকাই মনে হয়না। অথচ কয়েক ’শ কোটি টাকা খরচেই শিক্ষকের মর্যাদা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব হয়।
ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি এখন ইসলামী রাষ্ট্রধর্মের বিলবোর্ডে শোভা পাচ্ছে। ধর্মকে পণ্য বানিয়ে ভোট বাজারে একদিকে তার চাহিদা বাড়িয়ে কে কতো ধর্মের ভেকধারী তার প্রতিযোগিতা চলছে, অন্যদিকে এই হাওয়া কাজে লাগিয়ে আরেক দল চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মুক্ত বুদ্ধির চর্চা ও মুক্তমনের মানুষদের নিধন করে চলেছে। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ আন্দোলনের রাজনৈতিক তুফানে মুসলিম জাতিয়তাবোধ খতম হয়ে গেছে বলে সাময়িকভাবে ধারনা সৃষ্টি হলেও এদেশের মুসলিম জনতা এর পরপরই ঐ চেতনার বলিষ্ঠ পরিচয় দিয়েছে। …. বাঙালী জাতীয়তাবাদের প্লাবন ও ধর্মনিরপেক্ষতার সরকারি অপচেষ্টা এদেশের মুসলিম জাতীয়তাবাদের নিকট যেভাবে শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়েছে তা বাংলাদেশে ইসলামী শক্তির মজবুত ভিত্তির সুস্পষ্ট সন্ধান দেয়। বাংলাদেশ এখন আর বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী দেশ নয়। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে গৌরব বোধ করে।’ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেও কি তাদের চেতনায় এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ? এ প্রশ্নের মিমাংসা না করে শাসকশ্রেণির উস্কানী ও নিষ্পৃহতা আমাদের মহান অর্জনসমূহ বিসর্জনে মালমশলা জোগাচ্ছে।
Part of gathering-1স্বাধীন জাতীয় আত্মবিকাশের জাতীয়তাবাদী চেতনা ভারত-মার্কিনসহ সা¤্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের কাছে বিভিন্ন মেয়াদে বিভিন্ন দামে বন্ধক রাখা হচ্ছে। জাতীয় সম্পদ তুলে দেয়া ও বিনষ্ট করাকে আজকে শাসকদের ক্ষমতায় থাকা কিংবা যাওয়ার কাজের সাথে সংযুক্ত করে রাখা হয়েছে। ৫ ভাগ লোকের আকাশ ছোঁয়া উন্নতিকে পাতালে নামতে থাকা ৯৫ ভাগ মানুষকে জড়িয়ে দেশের উন্নতি বলে ঢাক পেটানো হচ্ছে নিত্যদিন। ২ কোটি মানুষের ঘর সংসার, ভিটে-মাটি, ঘর-বাড়ি নেই। বিত্তবানদের অট্টালিকার সামনে জাকাতের কাপড় নিতে এসে পদদলিত হয়ে মানুষ মারা যায়, পরিবারের ভার লাঘব করতে লক্ষ লক্ষ শিশু জীবনের স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়ে অমানবিক শিশুশ্রমে নিযুক্ত হয়, অকাল বার্ধক্য, পঙ্গুত্ব বরণ করে। ২০১৫ সালের ৬ মাসে ১৫৪ শিশু খুন হয়েছে। ২ খুনের বিচার হয়েছে। টাকা যার শিক্ষা তার, টাকা যার চিকিৎসা তার-এই বেসরকারিকরণ-বাণিজ্যিকীকরণ নীতি চালু করা হয়েছে। ৮৩টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, ১২টিতে বাংলা বিভাগই নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যাঞ্চেলর যিনি সর্বোচ্চ বিদ্যাপীটের সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক তাকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা বলেন, আমাদের দল কর বলেই তো তোমাকে ভিসি বানিয়েছে। এখন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীর মতো কাজ করো। অসম্মান আর কাকে বলে? বিনিয়োগ নিয়ে যেভাবে চেচামেচি করা হচ্ছে সেখানে যাচাই বাচাই বা জাতীয় স্বার্থ-জনস্বার্থ মাথায় থাকে না। সব বিনিয়োগ জাতীয় স্বার্থে যায়না। কাফকো, মোবাইল কোম্পানি, ব্যাঙ্ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে বহু বিনিয়োগ জাতীয় স্বার্থে ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে। ১২ ব্যাঙ্ক ১৬০০ কোটি টাকা পাচার করেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংঙ্ক ৮টি কে জরিমানা করেছে, ২টিকে ২০ লাখ টাকা করে বাকীদেরকে ২ লাখ টাকা করে। জাতীয় অর্থনীতি বিকাশের বিনিয়োগ আর কমিশন সমৃদ্ধ বিনিয়োগ এক কথা নয়।
Gathering-3তিনি শোষণ-বৈষম্য মুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে সকলকে এগিয়ে আসার এবং বাসদকে শক্তিশালী করার জন্য আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি বর্তমান সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক দুঃশাসন ও সা¤্রাজ্যবাদী, মৌলবাদী অপশক্তির চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকল বাম গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত-দুর্বৃত্তায়িত, আওয়ামী-বিএনপির দ্বি-মেরুকেন্দ্রিক রাজনৈতিক বৃত্ত ভেঙ্গে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং জনগণের অধিকার ও দাবি বাস্তবায়নের জন্য গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
Jahedul Haq Miluজাহেদুল হক মিলু বলেন, দেশ আজ গভীর সংকটে, সরকার একদিকে উন্নয়নের কথা বলে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে চলেছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। হত্যা, খুন, নারী-শিশু নির্যাতন সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য শ্রমিক, কৃষক, মেহনতি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।
Razequzzaman Ratanরাজেকুজ্জামান রতন বলেন, দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে এর প্রধান শিকার হচ্ছে দেশের শ্রমজীবী মানুষ। ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির ডামাডোলে একের পর এক শ্রমিক অধিকার হরণ করছে সরকার। শ্রম আইন ২০০৬ ও সংশোধিত শ্রম আইন ২০১৩-এর অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিল করে গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়নের দাবি উপেক্ষা করে সরকার শ্রমিক অধিকার হরণের বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করেছে যাতে শ্রমিক স্বার্থের পরিবর্তে মালিকের স্বার্থই রক্ষা করেছে। শ্রমিকের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ও বাঁচার মতো ন্যূনতম মজুরির দাবি আজও বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি ১৫০০০ টাকা ন্যূনতম মজুরিসহ শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
Bazlur Rashid Firozসভাপতির বক্তব্যে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন , দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কৃষি, কৃষক ও গ্রামীণ জীবনের সাথে সম্পৃক্ত। মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৫২ ভাগ কৃষিতে নিয়োজিত। স্বাধীনতার পর খাদ্য উৎপাদন ৩ গুণ বেড়েছে, জনসংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ অথচ আজও সব মানুষের মুখে ভাত, হাতে কাজ নেই। কৃষক বেচতে ঠকে, কিনতেও ঠকে। ফসলের লাভজনক দাম নাই। ক্ষেতমজুরের সারা বছরের কাজ নাই। নাই খাদ্য নিরাপত্তা। ভিজিএফ, ভিজিডি, কাবিখা, টিআর, বয়স্কভাতাসহ গ্রামীণ প্রকল্পসমূহের বরাদ্দ নিয়ে চলছে বেশুমার দুর্নীতি, দলীয়করণ। হাজার হাজার কোটি টাকার খেলাপী ঋণগ্রহীতারা মাফ পেয়ে যায় আর গরীব কৃষকের নামে রুজু হয় সার্টিফিকেট মামলা। এর পরও সরকার দাবি করে তারা কৃষকবান্ধব।
তিনি কৃষি ফসলের লাভজনক দাম, ক্ষেতমজুরদের সারা বছরের কাজ ও গ্রাম-শহরের গরীব মানুষের জন্য পূর্ণ রেশনিং চালু, কৃষকের নামে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার, গ্রামীণ সকল প্রকল্পের দুর্নীতি, দলীয়করণ বন্ধের দাবি জানান। একই সাথে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনায় শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে গ্রাম-শহরের সকল গরীব-মেহনতি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।